৬২ বছরের সংগীতজীবনে প্রথম শিল্পকলায় গাইবেন রুনা লায়লা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীতসন্ধ্যায় গান গাইবেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা।

৬২ বছরের সংগীতজীবনে আগামীকাল শুক্রবার এই প্রথম শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে একক সংগীতসন্ধ্যায় অংশ নিচ্ছেন তিনি।

অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে এরই মধ্যে প্রখ্যাত যন্ত্রশিল্পীদের সঙ্গে মহড়াও দিয়েছেন রুনা লায়লা। গানের তালিকায় রয়েছে ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বলো কী হবে’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘বন্ধু তিনদিন বাড়িত গেলাম দেখা’, ‘তুমি যে গেছো ভুলে’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে তুমি এলে’, ‘সাধের লাউ বানাইলো মোরে’ এবং ‘দমাদম মাস্ত কালান্দারের’ মতো জনপ্রিয় গান। একটি নজরুলসংগীতও পরিবেশন করবেন তিনি।

শিল্পকলা একাডেমিতে প্রথমবার গান গাওয়া প্রসঙ্গে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন এই বরেণ্য শিল্পী।

দ্য ডেইলি স্টার: দীর্ঘ সংগীতজীবনে প্রথমবার দেশের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান শিল্পকলা একাডেমিতে গান গাইছেন।

রুনা লায়লা: কনসার্টে গান গাইতে পারাটা সবসময়ই আনন্দের। আমি তো এই গান নিয়েই বাঁচি। এমন আয়োজনে দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়, যা একজন শিল্পীর জন্য সবসময়ই ভালো লাগার। প্রথমবার শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গাইব, এটাও ভালো লাগছে।

দ্য ডেইলি স্টার: আয়োজনটি নিয়ে বেশ ভালো সাড়া পড়েছে।

রুনা লায়লা: এটা আমিও শুনেছি। ইতোমধ্যে সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। ভেন্যুর ধারণক্ষমতাও খুব বেশি নয়, মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ জনের। ধারণক্ষমতা আরও বেশি হলে আমার বিশ্বাস আরও অনেক মানুষ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার সুযোগ পেতেন। এটা বাইরে আয়োজন করা হলে হাজার হাজার মানুষ যুক্ত হতে পারতেন। কিন্তু শিল্পকলা চেয়েছে অনুষ্ঠানটি তাদের প্রাঙ্গণেই হোক, যাতে এটি প্রতিষ্ঠানটির একটি স্মৃতি হয়ে থাকে।

৬২ বছরের সংগীতজীবনে কত জায়গায় গান গাইলাম, দেশ-বিদেশের কত মঞ্চে বাংলা, হিন্দি ও উর্দু গান গেয়ে স্মৃতি জমেছে। অথচ নিজের দেশের শিল্পকলা একাডেমিতে গান গাইতে আমার ৬২ বছর লেগে গেল!

দ্য ডেইলি স্টার: শিল্পকলা একাডেমিতে গান গাইতে এত বছর কেন লাগল?

রুনা লায়লা: আমি জানি না। হয়তো তারা আগে এমন আয়োজনের প্রয়োজন মনে করেনি। এখন মনে করেছে। জীবনের এই সময়ে এসে গাইতে পারছি, এটাই আমার জন্য ভালো লাগার। তাই আয়োজকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

Related Articles

Latest Posts