২০২৩ সালের জুলাই থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত ৩ বছরে দেশে অন্তত ৪০২ তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
বিজিএমইএর গত ২২ জুনের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে ২৮২টি বিজিএমইএর এবং ১২০টি বিকেএমইএর সদস্য ছিল।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ, ইরান মধ্যকার যুদ্ধ, বিশ্ব মন্দা পরিস্থিতি, দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অর্থপাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের এফটিএ চুক্তি, বিদেশি ক্রেতাদের রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহসহ নানা কারণে এসব পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
পোশাক খাতের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এর মধ্যে রপ্তানিমুখী অভ্যন্তরীণ বস্ত্রখাতে কাস্টমস বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে দেড় শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা, ইউরোজোনে বস্ত্র রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান দেড় শতাংশের পাশাপাশি আরও দশমিক ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা, রপ্তানিমুখী পোশাক খাতের (নিট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত সব ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য ৩ শতাংশ অতিরিক্ত সুবিধা এবং পোশাক খাতে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

