‘১২ দলের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ বাস্তবায়নের পথে’

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লিউটিসি) দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ১২টি করার প্রস্তাব খুব শিগগিরই বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ। তবে লাল বলের অভিজাত এই সংস্করণের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ শেষ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে, এমন শঙ্কার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আগামী ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম (এফটিপি) চূড়ান্ত করার শেষ ধাপে রয়েছে আইসিসি ও সদস্য দেশগুলো। একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।

Cricket Australia CEO Todd Greenberg addresses the media in Sydneyদক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে ডারবানে অবস্থানরত গ্রিনবার্গ সাংবাদিকদের বলেন,

টেস্ট আয়োজনের বিপুল খরচের কথা উল্লেখ করে সিএ প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট খেলা দিন দিন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। শুধু একটা ম্যাচ আয়োজন করা নয়, লাল বলের ক্রিকেটের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি ও রক্ষাণাবেক্ষণে প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন। রাতারাতি তো আর ১১ জন টেস্ট ক্রিকেটার তৈরি করা সম্ভব নয়।’

এমন পরিস্থিতিতে অনেক দেশ হয়তো হোম টেস্ট কমিয়ে খরচ বাঁচাতে বিদেশে গিয়ে বেশি টেস্ট খেলার কৌশল বেছে নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন তিনি।

এদিকে টেস্ট ক্রিকেটের বাণিজ্যিক প্রসার ঘটাতে ভারত ও ইংল্যান্ডের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মিত পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী সমর্থকদের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পাকিস্তানের সঙ্গেও বড় সিরিজের পরিকল্পনা করছে সিএ।

অন্য দিকে ওয়ানডে ক্রিকেটের আবেদন বজায় রাখতে ট্রাই-সিরিজ কিংবা মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট ফিরিয়ে আনার নানা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে আইসিসি। ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক গুরুত্ব এবং খেলোয়াড় তৈরিতে এই ফরম্যাটের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে গ্রিনবার্গ জানান, টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সূচি তৈরি করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

 

Related Articles

Latest Posts