সেপ্টেম্বরে তফসিল ও এ বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রত্যাশা সিইসির

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘোষণা করা হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এই বছরের মধ্যে শুরু করতে চায়।

তফসিল প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘আশা করছি, আমরা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে তফসিল ঘোষণা দিতে পারব। তাহলে আলটিমেটলি গিয়ে বছরের শেষে, আবার কিছু কিছু নির্বাচন আগামী বছর চলে যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সেপ্টেম্বরে শিডিউল দেওয়ার কথা বলছি। কেন বলছি? কারণ, দেয়ার ইজ অ্যা লিগ্যাল রিকোয়ারমেন্টস। কতদিনের মধ্যে ইলেকশন করতে হবে, এটার একটা আইনগত বিষয় আছে। আইনগত বিষয় কম্পলাই করতে হলে, বছরের শেষে ইলেকশন করতে হলে, শিডিউল দিতে হয় আগামী মাসে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি নেই জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত। আমরা অপেক্ষা করছিলাম আচরণ বিধিগুলো নিয়ে। এগুলো ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিলাম আইন মন্ত্রণালয়ে। সেগুলো অলরেডি এসে গেছে। এখন আমরা ম্যানুয়াল তৈরি করব।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করাটা অনেকগুলো ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘ইলেকশন করা, ডেট ফিক্স করা, কতগুলা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। দুর্গাপূজায় ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, বছরের শেষে বার্ষিক পরীক্ষা হয়, পরীক্ষাগুলো যেখানে হয় সেগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।’

ভোটকেন্দ্রগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ করে সমন্বয় করার চেষ্টা করা হবে বলে জানান সিইসি।

রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আমরা এসেই সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি নির্বাচনের জন্য যা যা করা দরকার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলার জন্য। সার্বিক প্রস্তুতি মানে সুইচ টিপ দিলে যাতে বাতি জ্বলে সেরকম প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলেছি।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনাবাহিনীর যদি প্রয়োজন হয়, সে বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সিইসি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে যাবতীয় সহায়তা রাষ্ট্রপতি দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য তিনি সহায়তা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

সিইসি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটা অলরেডি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যেকোনো সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা যেতে পারে। এটা রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের অগ্রগতি প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘এটা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগ অনুমোদন দেবেন। আইন সংশোধন না হলে বিদ্যমান আইনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দেশে ও দেশের বাইরে ভোটগ্রহণ চলবে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘যেহেতু একটি আসন, তাই ভোটার সংখ্যা খুব বেশি হবে না, তবু আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

Related Articles

Latest Posts