মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস) সংগঠনের প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবিরসহ সাত সদস্যকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত অন্য ছয়জন হলেন— মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান, মো. বায়োজিত ও তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান মুসায়াব (১৯)।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানায়, পলাতক ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের শনাক্ত, সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যকে চিহ্নিত ও তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’-এর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া আগের দফার জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যও যাচাই করা দরকার। প্রাথমিক আলামতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের একটি উগ্রবাদী সংগঠনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে এখনো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া বাকি।
গ্রেপ্তারের পর সাবির ও তানিমকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হলো। জুনায়েদ, আতাউল্লাহ, আবিদুর ও বায়েজিদকে এর আগে এক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। আর তাহসিনকে পরে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১১ জুলাই মামলাটি করেন যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এ বি সিদ্দিক। এতে ১৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকায় একটি মাঠ থেকে সাবির, তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ, আবিদুর ও বায়োজিতকে গ্রেপ্তার করার ছয় দিন পর মামলাটি করা হয়।
পুলিশ জানায়, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের জন্য তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। এ অভিযোগে তাদের প্রথমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

