লাঞ্চের পর আচমকা ধসে এলোমেলো বাংলাদেশ

প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারালেও প্রতিরোধ গড়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। রানও আসছিল ভালো গতিতে। তবে লাঞ্চের পর বদলে গেল খেলা। রানের গতি থমকে যাওয়ার সঙ্গে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে স্বাগতিক দল।

দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টায় ১৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলে পড়ে ৩ উইকেট। ৩ উইকেটে ১০১ থেকে ১১৬ রানে পড়ে যায় ৬ উইকেট।

লাঞ্চের পর পরই আউট হয়ে ফিরতে পারতেন মুশফিকুর রহিম। অফ স্পিনার সাজিদ খানের বলে কট বিহাইন্ড হলেও মাঠের আম্পায়ার তাকে আউট দেননি, পাকিস্তানও রিভিউ না নেওয়ায় ১৮ রানে বেঁচে যান তিনি। অবশ্য জীবনটা কাজে লাগেনি। মুশফিক বিদায় নেন আর স্রেফ ৫ রান যোগ করে। খুররমের বলে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে পায়ে লাগান, এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত রিভিউ নিয়েও বাঁচাতে পারেননি।

তার আগেই আব্বাস ফিরিয়ে দিয়েছিলেন শান্তকে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বেরিয়ে যাওয়া বল মারবেন নাকি ছাড়বেন দ্বিধায় থেকে ব্যাট পেতে দেন। বল তার ব্যাট ছুঁয়ে আশ্রয় নেয় মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে। আগের টেস্টে সেঞ্চুরি ও ফিফটি করা শান্ত থামেন ২৯ রানে।

মেহেদী হাসান মিরাজ নেমে দেন আত্মাহুতি। খুররমের লেগ স্টাম্পের বাইরের বাউন্সারে পুলের মতো করতে গিয়ে লোপ্পা ক্যাচ দেন ফাইন লেগে। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

 

Related Articles

Latest Posts