ভারী বৃষ্টির মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে মাটিচাপা পড়ে মারা যাওয়া তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ/৩ সাব-ব্লকে অবস্থিত একটি মাদ্রাসায় পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছিল।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ক্লাস চলার সময় মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধসে পড়ে বলে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা তাকে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আটকে পড়া অন্যদের উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত আছে।’
পাহাড়ধসের সময় মাদ্রাসার ভেতরে ঠিক কতজন শিশু ছিল, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে স্থানীয় কয়েকজন রোহিঙ্গা জানিয়েছেন, যখন পাহাড় ধসে পড়ে, তখন মাদ্রাসাটিতে অন্তত ৩০ জন শিশু পড়াশোনা করছিল।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত ডিআইজি ও কমান্ডিং অফিসার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ক্যাম্প ৫-এর “এ” ব্লকের খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসা ও হিফজখানায় ভূমিধসে ৭ থেকে ১০ বছর বয়সী ৭ ছাত্রী ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে। এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে এবং ৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।’
এর আগে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সোমবার ভোরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তিনটি আলাদা স্থানে পাহাড়ধসে আট জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়।

