রান খরা কাটিয়ে সেঞ্চুরি করে চেন্নাইকে জেতালেন স্যামসন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফরম্যান্স করা সঞ্জু স্যামসন আইপিএলে নেমে রান খরায় ভুগছিলেন। প্রথম তিন ম্যাচে মোটে ২২ রান করা ডানহাতি ব্যাটার চতুর্থ ম্যাচেই গা ঝাড়া দিলেন, করলেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরি। তার দাপটে বড় পুঁজি করে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। 

চিপকে চেন্নাইয়ের ২১২ রানের পাহাড় সমান সংগ্রহের বিপরীতে ১৮৯ রানেই থমকে যায় দিল্লির ইনিংস। ফলে ২৩ রানের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (১৫) হারায় চেন্নাই। তবে এরপরই শুরু হয় স্যামসন শো। বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় মাত্র ৫৬ বলে খেলেন ১১৫ রানের এক অপরাজিত ইনিংস, যা সাজানো ছিল ১৫টি চার ও ৪টি ছক্কায়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তরুণ আয়ুষ মাত্রে, যিনি ৩৬ বলে ৫৯ রান করেন। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ভর করেই চেন্নাই ২ উইকেটে ২১২ রানের বিশাল স্কোর গড়ে।

দিল্লির হয়ে আকসার প্যাটেল এবং গুরজাপনীত সিং ১টি করে উইকেট নিলেও চেন্নাইয়ের ব্যাটারদের রানের গতি থামাতে পারেননি।

২১২ রান তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালস ১৮৯ রানেই গুটিয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান (৩৮ বল) করেন ট্রিস্টান স্টাবস। ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ২৪ বলে ৪১ রান করে ভালো সূচনা দিলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। লোকেশ রাহুল ১০ বলে ১৮ রান করে আউট হন এবং আকসার প্যাটেল ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। মিডল অর্ডারে আশুতোষ শর্মা ১৯ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

চেন্নাইয়ের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন জেমি ওভারটন। তিনি ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। তাকে দারুণ সহায়তা করেন অংশুল কম্বোজ, যিনি ৩৫ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:

চেন্নাই সুপার কিংস: ২১২/২ (২০ ওভার)

দিল্লি ক্যাপিটালস: ১৮৯/১০ (২০ ওভার)

ফলাফল: চেন্নাই ২৩ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: সাঞ্জু স্যামসন।

(সাঞ্জু স্যামসন ১১৫, আয়ুষ মাত্রে ৫৯; আকসার প্যাটেল ১/৩৯)*

(ট্রিস্টান স্টাবস ৬০, পাথুম নিশাঙ্কা ৪১; জেমি ওভারটন ৪/১৮, অংশুল কম্বোজ ৩/৩৫)

 

 

Related Articles

Latest Posts