যেসব কারণে ২০ মাসে আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তার প্রশাসন আড়াই লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।

ভিসা যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা এবং অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই মার্কিন ভিসা নিয়ে কড়াকড়ি বেড়েছে। 

পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট ফক্স নিউজ ডিজিটালকে জানান, বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিলের প্রধান কারণগুলো হলো ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অপরাধে জড়িয়ে পড়া, যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া, প্রতারণা, অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা।

টমি পিগট বিষয়টিকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক আখ্যা দিয়ে জানান, প্রশাসনের এই উদ্যোগ মার্কিন জনগণকে সুরক্ষিত রাখার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে ২ হাজার ৩০০টি ছিল ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বিদেশি সন্তানসম্ভবা নারীরা জন্মসূত্রে সন্তানদের মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করলে সেটাকে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া, দুর্নীতির অভিযোগে বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর ও পেরুর বর্তমান ও সাবেক ২৭ জন কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত আগস্টে একই ধরনের অভিযানে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করেছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মূলত হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার পর এসব ভিসা বাতিল করা হয়।

টমি পিগট সতর্ক করে বলেন, ‘মার্কিন ভিসা কোনো অধিকার নয়, বরং বিশেষ সুযোগ। জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে।’

Related Articles

Latest Posts