গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কোনো বড় ট্রফি জিততে পারেননি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেও কাপ জেতা হয়নি। দলীয় শিরোপা বঞ্চিত হলেও ব্যক্তিগত ঝলকে প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ের দারুণ সুযোগ দেখছেন কিলিয়ান এমবাপে।
রিয়ালের হয়ে গত মৌসুমে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেছিলেন এই ফরাসি অধিনায়ক, যদিও শেষ পর্যন্ত ট্রফিশূন্যভাবেই শেষ করতে হয় মৌসুম।
জাতীয় দলের হয়েও নিজের পারফরম্যান্স তুলে ধরেন তিনি। বিশ্বকাপে ১০ গোল করে জিতে নেন গোল্ডেন বুট, যা টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে তার মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে দেয় রেকর্ড ২২-এ। তবে সেই আসরে চার নম্বরে থেকেই ক্ষান্ত হতে হয়েছিল ফ্রান্সকে।
ব্যালন ডি’অর প্রসঙ্গে কিলিয়ান এমবাপে বলেন, ‘হ্যাঁ, ব্যালনে ডি’অর জয়ের জন্য নিশ্চিতভাবেই বছরটা আমার হতে পারে। তবে সিদ্ধান্ত তো শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের হাতেই।’
‘বিশ্বের সেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে খেললে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এই পুরস্কারের সঙ্গে আপনার নাম জড়িয়ে ফেলে।’
ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপে ঝলক দেখানোর দিকেও ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমাকে আর ব্যালন ডি’অর নিয়ে অনেকেই কথা বলছেন। বিশ্বফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে আমি ইতিহাস তৈরি করতে পেরেছি, সেটাও সত্যি। সেই হিসেবে এবার হয়তো দারুণ একটা সুযোগ আছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটদাতারা তাদের পছন্দমতোই ভোট দেবেন।’
মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত স্বীকৃতি এখনো ছোঁয়া হয়নি কিলিয়ান এমবাপের। পিএসজিতে থাকার সময় ২০২৩ সালে তৃতীয় হওয়াটাই এখন পর্যন্ত তার সেরা সাফল্য।
তবে বাজির দর বলছে, এবারও ফেভারিটের দৌড়ে খানিকটা পিছিয়ে আছেন তিনি। শীর্ষে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। গত মৌসুমে ৫১ ম্যাচে ৫১ গোল করার পাশাপাশি বায়ার্নকে ঘরোয়া ডাবল জিতিয়েছেন তিনি।
দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন বার্সেলোনার তরুণ বিস্ময় লামিন ইয়ামাল। তার পরেই রয়েছেন ক্লাব ও স্পেন সতীর্থ রদ্রি।
তবে ২৭ বছর বয়সী কিলিয়ান এমবাপে নিজের শক্তিতে ভরসা রাখছেন আগের মতোই, ‘আমি সব সময়ই নিজেকে সেরা মনে করি, তবে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। একেকজনের ভাবনার ধরন একেক রকম, আর এটা নিয়ে অহেতুক তর্ক করারও কিছু দেখি না।’

