বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ থমাস ডুলি দায়িত্ব নিয়েই ফুটবলের প্রতি সমর্থকদের আবেগের তীব্রতা টের পাচ্ছেন। তার মতে এখানে ফুটবলের ‘শক্তিশালী হৃদস্পন্দন’ রয়েছে, যা প্রতিদিন অনুভব করা যায়।
আগামী ৫ জুন একটি ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হতে গত রবিবার ঢাকা ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ডুলির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট।
এই সফরের জন্য ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন ডুলি। ঢাকায় মাত্র কয়েক দিন কাটানো এবং তিনটি অনুশীলন সেশন পরিচালনা করলেও, জার্মান বংশোদ্ভুত আমেরিকান এই কোচ বলেছেন যে তিনি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ফুটবল ঘিরে থাকা উদ্দীপনা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।
দলের রওনা হওয়ার আগে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ডুলি এই প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের আগ্রহের প্রশংসা করেন, ‘আমাদের আসন্ন প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য ইউরোপ রওনা হওয়ার মুহূর্তেও বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতি আবেগ আমাকে বিস্মিত করছে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘এটি কোনো বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব নয়। কোনো মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নশিপও নয়। এমনকি আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকা কোনো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচও নয়। এটি কেবল আমাদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা একটি দলের সঙ্গে প্রীতি প্রস্তুতি ম্যাচ। তবুও গণমাধ্যমের মনোযোগ ছিল অসাধারণ। মাঠের দুই পাশেই ক্যামেরা ছিল। সব জায়গায় সাংবাদিক। ভক্তরা প্রতিটি পদক্ষেপ অনুসরণ করছেন।’
৬৪ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, এই ব্যাপক আগ্রহ পুরো দেশে ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসারই প্রমাণ, ‘এই স্তরের আগ্রহই বলে দেয় এ দেশের মানুষ ফুটবলকে কতটা ভালোবাসে। প্রত্যাশা, আবেগ এবং সমর্থন অপরিসীম। যারা এই খেলাটিকে এতটা গভীরভাবে ভালোবাসেন, এমন লাখ লাখ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা আমার, আমাদের স্টাফ এবং খেলোয়াড়দের জন্য একটি পরম সৌভাগ্য।’
ডুলির মতে, ‘বাংলাদেশ ফুটবলের একটি শক্তিশালী হৃদস্পন্দন রয়েছে এবং আপনি এটি প্রতিদিন অনুভব করতে পারবেন।’
মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী, শমিত শোম এবং জায়ান আহমেদের সঙ্গে সান মারিনোতে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকায় তিনটি অনুশীলন সেশনের পর, বৃহস্পতিবারের প্রীতি ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে সান মারিনোতে আরও চারটি সেশন করবে বাংলাদেশ দল।

