সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আফগানিস্তান ধারবাহিক দল হলেও টেস্টে তারা বেশ নড়বড়ে। তবু দলটির স্পিন শক্তি সবসময়ই এক চিন্তার কারণ। তবে প্রতিপক্ষের শক্তি-সামর্থ্যের বাইরেও বাংলাদেশের দলের জন্য বাড়তি এক চ্যালেঞ্জে অপেক্ষায়। মাত্রই কদিন আগে জাপানের শীতল আবহাওয়ায় কাটানো টেস্ট দলের বেশ কজন সদস্যকে সামলাতে হবে আবুধাবির প্রবল গরম। প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও তা নিয়ে ভাবছেন।
শুক্রবার থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট। এর আগে বুধবার প্রথমবার পুরো স্কোয়াড একসঙ্গে পেয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে নামে টাইগাররা। এশিয়ান গেমস শেষ করে মঙ্গলবার জাপান থেকে সোজা আবুধাবিতে এসে টেস্ট দলে যোগ দিন লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও তানজিদ হাসান তামিম। অসুস্থতা কাটিয়ে দেশ থেকে গিয়ে যুক্ত হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
জাপানে একটানা বৃষ্টির কারণে অনুশীলনের সুযোগ একদমই পাননি এই ছয় ক্রিকেটার। পদকহীন সফর শেষে বৃষ্টির এই প্রতিবন্ধকতার কথা আগেই জানিয়েছিলেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন।
বিপরীতে টেস্ট স্কোয়াডের বাকি সদস্যরা বেশ কয়েক দিন ধরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের কড়া রোদের মধ্যে ঘাম ঝরিয়েছেন। কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শান্তকে বাদ দিয়ে স্বাগতিক আমিরাতের বিপক্ষে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছেন তারা।
দুই পরিবেশের ক্রিকেটারদের এক করে দল সাজানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে বুধবারের অনুশীলনের পর সিমন্স বলেন,
অবশ্য শিষ্যদের পেশাদারত্বে পূর্ণ আস্থা রয়েছে ফিল সিমন্সের, ‘দিনের শেষে বিষয়টি মানসিকভাবে মানিয়ে নেওয়ার। আজ প্রথম দিনের অনুশীলনে তাদের বেশ স্বচ্ছন্দই মনে হলো। আমার বিশ্বাস, দ্রুতই তারা সবকিছুর সঙ্গে ধাতস্থ হয়ে উঠবে।’
প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানের শক্তিমত্তা ও আবুধাবির পিচ নিয়ে আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন টাইগার হেড কোচ। তিনি মনে করেন, উইকেট কিছুটা মন্থর হতে পারে এবং আফগানদের স্পিন আক্রমণই হবে মূল পরীক্ষা।
‘উইকেট দেখে বেশ ভালোই মনে হচ্ছে। কিছুটা স্লো হতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে ভালো ক্রিকেট উইকেটের লক্ষণ রয়েছে। আফগানিস্তানের বেশ কয়েকজন মানসম্পন্ন স্পিনারের মুখোমুখি হতে হবে, সেই অনুযায়ীই ব্যাটাররা প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে, ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করেছে। এখন মাঠে নামার রোমাঞ্চের অপেক্ষা।’

