ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর এ ঘটনাকে চলমান আন্দোলনের বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানোর কথা জানিয়ে একটি চিঠি প্রকাশ করার পর প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এটি প্রমাণ করে, আপনি যদি ভয় না পান, এই সরকারের সামনে মাথা নত না করেন, তাহলে যে কারও পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব। গণতন্ত্রে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।’
DEMOCRACY WINS! 🇮🇳🇮🇳🇮🇳 pic.twitter.com/HpCaqBkPxc
অন্যদিকে পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি দাবি করেন, যন্তর মন্তরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পরিস্থিতিকে ‘দেশবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য অক্ষুণ্ন থাকে, সে কথা বিবেচনায় নিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন নয়। আমি চাই না দেশের তরুণ সমাজ বিভ্রান্তির জালে আটকে পড়ুক। দেশের কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় আটকে যাক, সেটিও আমি চাই না। আমাদের সন্তানরা যেন আন্দোলনে নয়, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে মনোযোগ দিতে পারে—সেই লক্ষ্যেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, যন্তর মন্তর ও দেশের অন্যান্য স্থানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কোনোভাবেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়টিও তার সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

