দেশের আরও বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাকে ঋণের আওতায় আনতে ডিজিটাল ঋণ প্রক্রিয়া চালু ও সহজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এসএমই ফাউন্ডেশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম এবং ডিজিটাল ঋণ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এসএমই ঋণ সহজীকরণ’ সেমিনারে বক্তারা এ আহ্বান জানান।
সেমিনারে জানানো হয়, দেশের অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে ১ কোটি ১৭ লাখের বেশি সিএমএসএমই উদ্যোক্তার মধ্যে সরাসরি ব্যাংকঋণ পান মাত্র ৯ শতাংশ।
এছাড়া প্রায় ১৪ শতাংশ উদ্যোক্তা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঋণ পান। বাকি প্রায় ৭৭ শতাংশ উদ্যোক্তা এখনো ঋণের আওতার বাইরে। ফলে সম্ভাবনাময় অনেক উদ্যোগ কাঙ্ক্ষিতভাবে বিকশিত হতে পারে না।
আরও বলা হয়, এসএমই উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ফিনটেকভিত্তিক উদ্ভাবনী আর্থিক সেবার ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশন একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্পটির লক্ষ্য উদ্যোক্তা ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগের ব্যবধান কমানো, অর্থায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের সচেতন করা, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে উভয়পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিকল্প ক্রেডিট স্কোরিং পদ্ধতির সম্ভাবনা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা।
এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদের সদস্য খালিদ মাহমুদ খান প্রমুখ।

